ইফতারের পর ফাঁকা রাস্তা তাই সি এন জি চালক পুরু গতিবেগে গাড়ি
চালাচ্ছে। দারুন উপভোগ্য এবং আতংকেরও। মনে হচ্ছে এই বুঝি সিএনজি উল্টে গেল
কিংবা কিছুর সঙ্গে জোরে ধাক্কা খেল! মনে হয়-ই না সকালের সেই ঢাকা এখন এত
ফাঁকা আর আমার গাড়ির চালক এখন রাস্তার রাজা!
আর এই দুরন্ত গতি বেগ থেকে থেকেই বেজে উঠছে “ খায়রুন লো তোর লম্বা মাথার কেশ, চিরল দাঁতের হাসি দিয়া পাগল করলি দেশে “! যতটুকু জানা যায় সিএনজি চালিত ছোট বাহনগুলোয় কোন মিউজিক বাজানোর যন্ত্র নেই। তাহলে মোবাইলের রিং টোন? কিন্তু চালক ফোন ধরছেনা ! আতঙ্ক আরও বেড়ে গেলো। ব্যাপার কি ফোন রিসিভ করছেন না কেন তিনি! আর রাস্তার একটি নির্দিষ্ট গ্যাপেই কেবল গানটি বেজে উঠছে!
আহ! কিছুক্ষণ পর আবিস্কার হল দারুন জিনিস ! আরে এটা যে সিএনজির ব্রেক করলেই বেজে ওঠে! চালককে জিজ্ঞাসা করা হলে বলে দিলেন হে হে হে হে ঠিক ধরছেন এইডা আমার গাড়ির ব্রেকে লাগাইছি! এমন আর কি কি ব্রেকের শব্দ আছে? অনেক অনেক রকমের আছে…।
কি অদ্ভুত!
প্রাইভেট গাড়িগুলোতে তো স্বাভাবিক নিয়মেই ধুম ধারাক্কা গানের তালে গাড়ি চলে। রাস্তা ফাঁকা পেলে গাড়ির গতি বাড়িয়ে হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বিমানের রূপ নিতে। উল্কার বেগে ধু ধু করে একে বেঁকে গাড়ি চলে। এই সকল গাড়ির ব্রেক এবং ইনডিকেটরের শব্দগুলু একটু আধুনিক! উনারা ইংলিশ গান কিংবা মধুর কোন যন্ত্র সঙ্গীত ব্যবহার করেন! ফলে পথচারী কিংবা আশে পাশের অনেক যানবাহনের বুঝার উপায় থাকে না এটা কি সতর্কীকরণ কোন শব্দ নাকি নির্মল বিনোদনের জন্য বাজানো হচ্ছে!
এই ধরনের বিভ্রান্তিকর বিনোদনমূলক শব্দগুলু বন্ধ করে সঠিক শব্দ ব্যবহার করে গাড়ি চালালে চালক ও যাত্রীসহ অনেকের প্রাণ সড়ক দুর্ঘটনার হাত থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে! বিষয়টি নিয়ে আমাদের ট্রাফিক বিভাগ, বিআরটিএ ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় কী একটু গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে পারে না? রাস্তায় যার যা ইচ্ছে মত এসব ব্যবহার করবে আর দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগগুলি নির্বিকার হয়ে থাকবে একজন নাগরিক হয়ে এটা কী করে মেনে নেব?
আর এই দুরন্ত গতি বেগ থেকে থেকেই বেজে উঠছে “ খায়রুন লো তোর লম্বা মাথার কেশ, চিরল দাঁতের হাসি দিয়া পাগল করলি দেশে “! যতটুকু জানা যায় সিএনজি চালিত ছোট বাহনগুলোয় কোন মিউজিক বাজানোর যন্ত্র নেই। তাহলে মোবাইলের রিং টোন? কিন্তু চালক ফোন ধরছেনা ! আতঙ্ক আরও বেড়ে গেলো। ব্যাপার কি ফোন রিসিভ করছেন না কেন তিনি! আর রাস্তার একটি নির্দিষ্ট গ্যাপেই কেবল গানটি বেজে উঠছে!
আহ! কিছুক্ষণ পর আবিস্কার হল দারুন জিনিস ! আরে এটা যে সিএনজির ব্রেক করলেই বেজে ওঠে! চালককে জিজ্ঞাসা করা হলে বলে দিলেন হে হে হে হে ঠিক ধরছেন এইডা আমার গাড়ির ব্রেকে লাগাইছি! এমন আর কি কি ব্রেকের শব্দ আছে? অনেক অনেক রকমের আছে…।
কি অদ্ভুত!
প্রাইভেট গাড়িগুলোতে তো স্বাভাবিক নিয়মেই ধুম ধারাক্কা গানের তালে গাড়ি চলে। রাস্তা ফাঁকা পেলে গাড়ির গতি বাড়িয়ে হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বিমানের রূপ নিতে। উল্কার বেগে ধু ধু করে একে বেঁকে গাড়ি চলে। এই সকল গাড়ির ব্রেক এবং ইনডিকেটরের শব্দগুলু একটু আধুনিক! উনারা ইংলিশ গান কিংবা মধুর কোন যন্ত্র সঙ্গীত ব্যবহার করেন! ফলে পথচারী কিংবা আশে পাশের অনেক যানবাহনের বুঝার উপায় থাকে না এটা কি সতর্কীকরণ কোন শব্দ নাকি নির্মল বিনোদনের জন্য বাজানো হচ্ছে!
এই ধরনের বিভ্রান্তিকর বিনোদনমূলক শব্দগুলু বন্ধ করে সঠিক শব্দ ব্যবহার করে গাড়ি চালালে চালক ও যাত্রীসহ অনেকের প্রাণ সড়ক দুর্ঘটনার হাত থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে! বিষয়টি নিয়ে আমাদের ট্রাফিক বিভাগ, বিআরটিএ ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় কী একটু গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে পারে না? রাস্তায় যার যা ইচ্ছে মত এসব ব্যবহার করবে আর দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগগুলি নির্বিকার হয়ে থাকবে একজন নাগরিক হয়ে এটা কী করে মেনে নেব?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন