আড়ং, অঞ্জন্স, কে ক্র্যাফট, ও জি, নগর দোলা, বিবিয়ানা, চরকা,
অন্য মেলা, নবরুপা, বাংলার মেলা, রঙ, নিপুন, সাদাকালো, দেশাল, লালন ইত্তাদি
নামকরা ফ্যাশন হাউজ গুলু ঈদ উপলক্ষে নানা রকম ডিজাইন এর পোশাক এনেছে
বাজারে। বাহারি বিজ্ঞাপন আর টিভি শো থেকে ফেসবুক ফ্যান পেজেও এদের বিপনন
কাজ চলছে!
বয়স্কদের প্রতি সন্মান রেখে “রঙ” এনেছে ” শ্রদ্ধা ” নামক বিশেষ কাপড়! প্রত্যেকটি ফ্যাশন হাউজই নিত্য নতুন রঙ, ঢঙে প্রতিদিন প্রতিমুহূর্তে নানা রকম পোশাক তুলছে ক্রেতাদের জন্য! বাবা ছেলে, স্বামী স্ত্রী এমন সব জুটিদের জন্যও আলাদা করে ম্যাচ করে পাঞ্জাবি শাড়ি, ফতুয়া, ডিজাইন থেকে নিজেদের বিরত রাখেনি!
প্রতিটি শো রুমে ঘুরে দেখা গেল মানুষের উপচে পড়া ভীর! মেয়েদের সালোয়ার কামিজ ওড়নাগুলো ২৫০০-১০০০০/- টাকা থেকেও বেশি আছে! তেমনি ছেলেদের পাঞ্জাবির মূল্য শুরু হয়েছে ১৫০০ থেকে যে যত পারছে! নিজেদের
ব্যানার নাম ধামের কারনে বেচা বিক্রিও তুঙ্গে !
(ভারতে একটি হরলিক্স এর বিজ্ঞাপনে বলা হয় – আপনি একটি হরলিক্স ক্রয় করলে ওখান থেকে ১ টাকা করে গরিব শিশুদের জন্য একটি ফান্ড জমা হবে! খুব ভালো উদ্যোগ) আমাদের দেশেও ছিল একটি পানির বোতলে ও টিস্যু বক্স এ লিখা এমন করে ১ টাকা যাবে!
কিন্তু…..
এই ফ্যাশন হাউজগুলো কখনই সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য কোন বিশেষ কাপড় আনেনি আনবেও বলে মনে হচ্ছেনা। এদেরকে ক্রেতা হিসাবে পাবে না তাই উদ্যোগ নেই। ফ্যাশন হাউজগুলো যদি এমন উদ্যোগ নিতো তাদের বিক্রিত পণ্য থেকে মুনাফার একটি অংশ কিংবা বিশেষ দিনে এদের জন্য কিছু করা! সকলে কেবল নিজেদের তুলে ধরছে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষদের জন্য।
উদ্যোগ কোন মহল থেকেই নেই এদের জন্য! সরকার, এনজিও, ব্যক্তিগত উদ্যোগ কোনটাই নেই! উল্টো ৩/৪ পর থেকে পত্রিকায়, নানা গণমাধ্যমের হেড লাইন, ব্রেকিং নিউজ আসবে- যাকাতের কাপড় সংগ্রহ করতে গিয়ে ১০ জন আহত ৫ জন নিহত!
অবাক লাগে এটাও দেখলে যে – এখানে যাকাতের কাপড় পাওয়া যায়। মানেই কম মূল্যে নামমাত্র কাপড় পাওয়া যায়! কেন এত বৈষম্য এই দরিদ্র মানুসগুলোর জন্য! বছরে একটি বার কি একটি ভালো কাপড়ের টাকা বাজেট সকলে বরাদ্দ করতে পারে না! পারেন না বন্ধ করতে এই মানুষগুলো কাপড় সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত/নিহত হবার দুর্ঘটনা গুলু !
পুরো দোকান জুড়ে বিশালদেহী মানুষগুলুর ভিড়ে হারিয়ে যাই এর পরও খুঁজে পাই না একটি মিষ্টি হাসি পথ শিশু! যাকে কেউ সাথে করে নিয়ে এসেছে একটি নতুন জামা কিনে দিতে! কোন দোকানে চোখে পরেনা এইসব বাচ্চাদের জন্য কাপড় কিংবা দোকান। ফুটপাতের পাশে থেকে কিনে কেউ কেউ কিনে আবার কেউ কেউ খালি গায়েও দিন কাটিয়ে দেয়!
৯ বছর বয়সে আমার ছেলেটি যখন মায়ের বুকে ঘুমায় আর বাবা কাঁধে চড়ে দুষ্টামি করে আর মামার সঙ্গে দস্যিপনা করে ঠিক তখনই আমার সামনেই আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে ৯ বছরের জিলানী! ময়মনসিংহ থেকে এসেছে ঢাকাতে একটি ভালো চাকরি করবে বলে। এখন ক্যান্টিনের টেবিল মুছে। হা করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কি করার আছে। গল্প, মজা, একটু খোঁচা আর ওর জন্য একটি শার্ট, প্যান্ট আর মায়ের জন্য শাড়ি! এই তো ! কত পার্থক্য আমাদের মধ্যে। আমার ৯ বছরের ছেলেটিকে ঘর থেকে একা বের হতে দেয়ার সাহস কারো-ই নেই। কিন্তু, ৯ বছরের জিলানী একা একা ঢাকা শহর ঘুরে চষে বেড়াচ্ছে! নিষ্ঠুর দারিদ্রের কষাঘাতে ওরা যেন সব প্রতিকূলতা জয় করে নেয়। বয়স ওদের কোনো বাধাই নয়!
বয়স্কদের প্রতি সন্মান রেখে “রঙ” এনেছে ” শ্রদ্ধা ” নামক বিশেষ কাপড়! প্রত্যেকটি ফ্যাশন হাউজই নিত্য নতুন রঙ, ঢঙে প্রতিদিন প্রতিমুহূর্তে নানা রকম পোশাক তুলছে ক্রেতাদের জন্য! বাবা ছেলে, স্বামী স্ত্রী এমন সব জুটিদের জন্যও আলাদা করে ম্যাচ করে পাঞ্জাবি শাড়ি, ফতুয়া, ডিজাইন থেকে নিজেদের বিরত রাখেনি!
প্রতিটি শো রুমে ঘুরে দেখা গেল মানুষের উপচে পড়া ভীর! মেয়েদের সালোয়ার কামিজ ওড়নাগুলো ২৫০০-১০০০০/- টাকা থেকেও বেশি আছে! তেমনি ছেলেদের পাঞ্জাবির মূল্য শুরু হয়েছে ১৫০০ থেকে যে যত পারছে! নিজেদের
ব্যানার নাম ধামের কারনে বেচা বিক্রিও তুঙ্গে !
(ভারতে একটি হরলিক্স এর বিজ্ঞাপনে বলা হয় – আপনি একটি হরলিক্স ক্রয় করলে ওখান থেকে ১ টাকা করে গরিব শিশুদের জন্য একটি ফান্ড জমা হবে! খুব ভালো উদ্যোগ) আমাদের দেশেও ছিল একটি পানির বোতলে ও টিস্যু বক্স এ লিখা এমন করে ১ টাকা যাবে!
কিন্তু…..
এই ফ্যাশন হাউজগুলো কখনই সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য কোন বিশেষ কাপড় আনেনি আনবেও বলে মনে হচ্ছেনা। এদেরকে ক্রেতা হিসাবে পাবে না তাই উদ্যোগ নেই। ফ্যাশন হাউজগুলো যদি এমন উদ্যোগ নিতো তাদের বিক্রিত পণ্য থেকে মুনাফার একটি অংশ কিংবা বিশেষ দিনে এদের জন্য কিছু করা! সকলে কেবল নিজেদের তুলে ধরছে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষদের জন্য।
উদ্যোগ কোন মহল থেকেই নেই এদের জন্য! সরকার, এনজিও, ব্যক্তিগত উদ্যোগ কোনটাই নেই! উল্টো ৩/৪ পর থেকে পত্রিকায়, নানা গণমাধ্যমের হেড লাইন, ব্রেকিং নিউজ আসবে- যাকাতের কাপড় সংগ্রহ করতে গিয়ে ১০ জন আহত ৫ জন নিহত!
অবাক লাগে এটাও দেখলে যে – এখানে যাকাতের কাপড় পাওয়া যায়। মানেই কম মূল্যে নামমাত্র কাপড় পাওয়া যায়! কেন এত বৈষম্য এই দরিদ্র মানুসগুলোর জন্য! বছরে একটি বার কি একটি ভালো কাপড়ের টাকা বাজেট সকলে বরাদ্দ করতে পারে না! পারেন না বন্ধ করতে এই মানুষগুলো কাপড় সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত/নিহত হবার দুর্ঘটনা গুলু !
পুরো দোকান জুড়ে বিশালদেহী মানুষগুলুর ভিড়ে হারিয়ে যাই এর পরও খুঁজে পাই না একটি মিষ্টি হাসি পথ শিশু! যাকে কেউ সাথে করে নিয়ে এসেছে একটি নতুন জামা কিনে দিতে! কোন দোকানে চোখে পরেনা এইসব বাচ্চাদের জন্য কাপড় কিংবা দোকান। ফুটপাতের পাশে থেকে কিনে কেউ কেউ কিনে আবার কেউ কেউ খালি গায়েও দিন কাটিয়ে দেয়!
৯ বছর বয়সে আমার ছেলেটি যখন মায়ের বুকে ঘুমায় আর বাবা কাঁধে চড়ে দুষ্টামি করে আর মামার সঙ্গে দস্যিপনা করে ঠিক তখনই আমার সামনেই আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে ৯ বছরের জিলানী! ময়মনসিংহ থেকে এসেছে ঢাকাতে একটি ভালো চাকরি করবে বলে। এখন ক্যান্টিনের টেবিল মুছে। হা করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কি করার আছে। গল্প, মজা, একটু খোঁচা আর ওর জন্য একটি শার্ট, প্যান্ট আর মায়ের জন্য শাড়ি! এই তো ! কত পার্থক্য আমাদের মধ্যে। আমার ৯ বছরের ছেলেটিকে ঘর থেকে একা বের হতে দেয়ার সাহস কারো-ই নেই। কিন্তু, ৯ বছরের জিলানী একা একা ঢাকা শহর ঘুরে চষে বেড়াচ্ছে! নিষ্ঠুর দারিদ্রের কষাঘাতে ওরা যেন সব প্রতিকূলতা জয় করে নেয়। বয়স ওদের কোনো বাধাই নয়!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন