চারপাশে সকলের মুখে শুধু একটি শব্দ একটি কথা! যা শুনতে শুনতে
অতিষ্ঠ মানুষ। সত্য মিথ্যা যাচাই বাছাই করা নিয়ে সবার নজর কেবল একদিকেই।
বুঝলাম না আমাদের এবং বিদেশী গণমাধ্যমগুলুর জন্য কি বাংলাদেশের আর কোন খবর
নেই! যেখানে যাই একটাই আলোচনা “রেশমা” ! রেশামার জীবন বৃত্তান্ত নিয়ে এত
নাড়াচাড়া করছে সব গণমাধ্যমগুলু যেটা সত্যি বিব্রতকর এবং ক্ষোভ প্রকাশ করার
মতো।
ঐ এক দুর্ঘটনায় অনেকে জীবিত, মৃত, অর্ধমৃত হয়ে আজো অনিশ্চিত জীবন গুনছেন। যাদের খবর দুএকটা পত্রিকার কোনায় ছাপা হয়। শাহানাকে উদ্ধার করতে নিয়ে সেচ্চাসেবক কায়কোবাদ (K K) প্রাণ দিলেন ! রেখে গেলেন স্ত্রী ও দুই সন্তান। এদের ভবিষ্যতের কি নিশ্চয়তা দেয়া হল? এই পরিবারটি কেমন আছে? গণমাধ্যমে এসব সম্পূর্ণ অনুপস্থিত!

বেঁচে যাওয়া মানুষগুলুর পাশেও কেউ নেই। কেউ কেউ সুস্থু হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে! আবার অনেকেই এখনো ঢাকা শহরে ছড়ায়ে ছিটায়ে নানা হাসপাতালে করুন জীবন অতিবাহিত করছে। কেউ নেই এদের পাশে। সবাই আর্থিক সাহায্য দিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা জমা পরে আছে নানা ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের কাছে! ওই টাকার কি সঠিক ব্যাবহার হচ্ছে? আমার একদিনের বেতনও কেটে নেয়া হয়েছে। কিন্তু জানি না ঐ টাকা দিয়ে কোথায় কি করলো। কিংবা আমাদের কেউ জানানোর প্রয়োজনবোধ করেন নি ! হয়তো আমাদের কোম্পানি নিজে সাহায্য করেছে বলে চালিয়ে দিয়েছে বলেই এমনটি করেছে। কিংবা এদের মধ্যে নেই সেই দায়িত্ববোধ !
রেশমা বাড়ি গেলো/ কি খেল/ কোথায় চাকরী নিলো/ কিভাবে বাঁচল/ আসলে কি অনেক অনেক জানছি প্রতিদিন! রেশমা ছাড়া বাকি সকল বেঁচে যাওয়া মানুষগুলুর বর্তমান জীবন জানতে চাই! যারা উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে বর্তমানে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বিছানায় পাগলের প্রলাপ বকছে কিংবা উথাল পাথাল করছে এদের খোঁজ কে নিচ্ছে? পাশে কে আছে?
লড়াই করে হেরে যাওয়া শাহানার পরিবারের খোঁজ জানতে চাই
গণমাধমগুলির কাছে। রানা সাহেব এবং গার্মেন্টস মালিক সাহেবরা কোথায় আছেন কি হচ্ছে? উনারা তো বেঁচে আছেন হাত পা নিয়ে এটা সবাই জানে ! একদিন মুক্তিও মিলবে! বিচার বিচার করেও দীর্ঘ জীবন বেঁচে থাকবে এরা প্রথম শ্রেণীর সুবিধা পেয়ে।
রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষের জীবন এখন কেমন আছে, কিভাবে চলছে সবার সামনে আনা দরকার? সাথে কায়কোবাদ পরিবারও! রেশমাকে হাইলাইট করে বাকিদের চাপা দেয়া হচ্ছে! ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি পরিবারের পুনর্বাসন জরুরি ! অঙ্গহানি না হলেও এমন অনেকেই আছেন যারা আর আগের মতো করে কাজ করতে পারবেন না। তারা যেন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন। ওই ভবনে কর্মরত সকলের জন্যই প্রয়োজন বুঝে শতভাগ সাহয্য প্রার্থনা করছি এবং জানতে চাচ্ছি আসলেই কি হচ্ছে?
ঐ এক দুর্ঘটনায় অনেকে জীবিত, মৃত, অর্ধমৃত হয়ে আজো অনিশ্চিত জীবন গুনছেন। যাদের খবর দুএকটা পত্রিকার কোনায় ছাপা হয়। শাহানাকে উদ্ধার করতে নিয়ে সেচ্চাসেবক কায়কোবাদ (K K) প্রাণ দিলেন ! রেখে গেলেন স্ত্রী ও দুই সন্তান। এদের ভবিষ্যতের কি নিশ্চয়তা দেয়া হল? এই পরিবারটি কেমন আছে? গণমাধ্যমে এসব সম্পূর্ণ অনুপস্থিত!
বেঁচে যাওয়া মানুষগুলুর পাশেও কেউ নেই। কেউ কেউ সুস্থু হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে! আবার অনেকেই এখনো ঢাকা শহরে ছড়ায়ে ছিটায়ে নানা হাসপাতালে করুন জীবন অতিবাহিত করছে। কেউ নেই এদের পাশে। সবাই আর্থিক সাহায্য দিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা জমা পরে আছে নানা ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের কাছে! ওই টাকার কি সঠিক ব্যাবহার হচ্ছে? আমার একদিনের বেতনও কেটে নেয়া হয়েছে। কিন্তু জানি না ঐ টাকা দিয়ে কোথায় কি করলো। কিংবা আমাদের কেউ জানানোর প্রয়োজনবোধ করেন নি ! হয়তো আমাদের কোম্পানি নিজে সাহায্য করেছে বলে চালিয়ে দিয়েছে বলেই এমনটি করেছে। কিংবা এদের মধ্যে নেই সেই দায়িত্ববোধ !
রেশমা বাড়ি গেলো/ কি খেল/ কোথায় চাকরী নিলো/ কিভাবে বাঁচল/ আসলে কি অনেক অনেক জানছি প্রতিদিন! রেশমা ছাড়া বাকি সকল বেঁচে যাওয়া মানুষগুলুর বর্তমান জীবন জানতে চাই! যারা উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে বর্তমানে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বিছানায় পাগলের প্রলাপ বকছে কিংবা উথাল পাথাল করছে এদের খোঁজ কে নিচ্ছে? পাশে কে আছে?
লড়াই করে হেরে যাওয়া শাহানার পরিবারের খোঁজ জানতে চাই
গণমাধমগুলির কাছে। রানা সাহেব এবং গার্মেন্টস মালিক সাহেবরা কোথায় আছেন কি হচ্ছে? উনারা তো বেঁচে আছেন হাত পা নিয়ে এটা সবাই জানে ! একদিন মুক্তিও মিলবে! বিচার বিচার করেও দীর্ঘ জীবন বেঁচে থাকবে এরা প্রথম শ্রেণীর সুবিধা পেয়ে।
রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষের জীবন এখন কেমন আছে, কিভাবে চলছে সবার সামনে আনা দরকার? সাথে কায়কোবাদ পরিবারও! রেশমাকে হাইলাইট করে বাকিদের চাপা দেয়া হচ্ছে! ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি পরিবারের পুনর্বাসন জরুরি ! অঙ্গহানি না হলেও এমন অনেকেই আছেন যারা আর আগের মতো করে কাজ করতে পারবেন না। তারা যেন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন। ওই ভবনে কর্মরত সকলের জন্যই প্রয়োজন বুঝে শতভাগ সাহয্য প্রার্থনা করছি এবং জানতে চাচ্ছি আসলেই কি হচ্ছে?
4rকি
উত্তরমুছুন